প্রবন্ধ

All right reserved by the author & the respective writers

6 মিনিট পড়ার সময়

ঈদে মিলাদুন্নবী (ﷺ) মাহফিল- বক্তব্য

রাসূল (ﷺ) নিজেই তাঁর জন্মদিন স্মরণ করেছেন

মোহাম্মদ আব্দুল আজিম
ঈদে মিলাদুন্নবী (ﷺ) মাহফিল- বক্তব্য

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على سيد المرسلين، خاتم النبيين، رحمة للعالمين، سيدنا ومولانا محمد، وعلى آله وأصحابه أجمعين

সম্মানিত সভাপতি, শ্রদ্ধেয় ওলামায়ে কেরাম, সম্মানিত এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রিয় ব্যবসায়ী ভাইয়েরা, আমার সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ এবং স্নেহের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ-

সর্বপ্রথম মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি তিনি আমাদেরকে এমন এক মাহফিলে উপস্থিত হওয়ার তাওফিক দিয়েছেন, যে মাহফিলে আলোচনা হবে তাঁর প্রিয় হাবীব, বিশ্বনবী, রহমাতুল্লিল আলামীন হযরত মুহাম্মদ (ﷺ)-এর পবিত্র জীবন ও আদর্শ নিয়ে।

আজকের এই দিনটি আমাদের জন্য শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়; বরং এটি ঈমানকে জাগ্রত করার দিন, রাসূল (ﷺ)-এর প্রতি ভালোবাসাকে নবায়ন করার দিন এবং তাঁর আদর্শকে জীবনে ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার করার দিন।

রাসূল (ﷺ) কে?

প্রিয় উপস্থিতি!

আমরা যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কথা বলি, তখন আমরা এমন একজন মহান ব্যক্তিত্বের কথা বলি, যাঁর আগমন মানবজাতির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রহমতগুলোর একটি।

মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন

وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِّلْعَالَمِينَ

অর্থাৎ “আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপই প্রেরণ করেছি।” সূরা আল-আম্বিয়া, ১০৭

একবার একটু চিন্তা করে দেখুন

আল্লাহ বলেননি শুধু আরবের জন্য রহমত, শুধু মুসলমানের জন্য রহমত, শুধু কোনো একটি জাতির জন্য রহমত।

তিনি বলেছেন “রহমাতাল্লিল আলামীন” সমগ্র জগতের জন্য রহমত।

তাই রাসূল (ﷺ)-এর জন্মের আলোচনা মানে শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনার আলোচনা নয়। এটি হলো রহমতের আগমনের আলোচনা, হিদায়াতের আগমনের আলোচনা, অন্ধকার থেকে আলোর আগমনের আলোচনা।

রাসূল (ﷺ)-এর আগমন কেন এত বড় নিয়ামত?

আজ আমরা মোবাইল ব্যবহার করি, ইন্টারনেট ব্যবহার করি, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করি। কিন্তু একটু ভেবে দেখুন মানুষ যদি বিজ্ঞান পায় কিন্তু সঠিক জীবনদর্শন না পায়, তাহলে কী হবে?

সম্পদ থাকবে, কিন্তু শান্তি থাকবে না। বাড়ি থাকবে, কিন্তু পরিবারে ভালোবাসা থাকবে না। ব্যবসা থাকবে, কিন্তু বরকত থাকবে না। শিক্ষা থাকবে, কিন্তু চরিত্র থাকবে না। ক্ষমতা থাকবে, কিন্তু ন্যায়বিচার থাকবে না।

এই কারণেই আল্লাহ তায়ালা মানবজাতির জন্য এমন একজন নবী পাঠিয়েছেন, যিনি শুধু নামাজ শেখাননি; কীভাবে মানুষ হতে হয়, সেটিও শিখিয়েছেন।

কীভাবে বাবা হতে হয় শিখিয়েছেন। কীভাবে সন্তান হতে হয় শিখিয়েছেন। কীভাবে শিক্ষক হতে হয় শিখিয়েছেন। কীভাবে ব্যবসায়ী হতে হয় শিখিয়েছেন। কীভাবে প্রতিবেশীর সঙ্গে আচরণ করতে হয় শিখিয়েছেন। এমনকি একজন মানুষ তার শত্রুর সঙ্গেও কীভাবে ন্যায় ও মানবিকতা বজায় রাখবে সেটিও শিখিয়েছেন।

রাসূল (ﷺ)-এর আগমনে আনন্দ প্রকাশ

সম্মানিত উপস্থিতি! আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন

قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوا هُوَ خَيْرٌ مِّمَّا يَجْمَعُونَ

অর্থ “বলুন, আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর রহমতের কারণে তারা যেন আনন্দিত হয়। তারা যা সঞ্চয় করে, এটি তার চেয়েও উত্তম।” সূরা ইউনুস, ৫৮

মুফাসসিরগণ এই আয়াতের ব্যাখ্যায় আল্লাহর ফজল ও রহমতের মধ্যে হিদায়াত, ইসলাম ও কুরআনের মতো মহান নিয়ামতের কথা উল্লেখ করেছেন। আর রাসূল (ﷺ) তো সেই রহমতেরই বাহক।

তাহলে তাঁর আগমনের কথা স্মরণ করে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা, দরুদ ও সালাম পাঠ করা, তাঁর জীবন আলোচনা করা, তাঁর চরিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরা এগুলো কি আমাদের ঈমানি আবেগকে জাগ্রত করে না? অবশ্যই করে।

রাসূল (ﷺ) নিজেই তাঁর জন্মদিন স্মরণ করেছেন

এখানে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হাদিস উল্লেখ করতে চাই।

হযরত আবু কাতাদা আনসারি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত

রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে সোমবারের রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন

ذَٰلِكَ يَوْمٌ وُلِدْتُ فِيهِ، وَيَوْمٌ بُعِثْتُ أَوْ أُنْزِلَ عَلَيَّ فِيهِ

অর্থাৎ “এটি সেই দিন, যেদিন আমি জন্মগ্রহণ করেছি এবং যেদিন আমার ওপর ওহি নাজিল হয়েছে।” সহিহ মুসলিম; রিয়াদুস সালিহীন ১২৫৫

দেখুন, নবীজি (ﷺ) সোমবারের রোজার কারণ বলতে নিজের জন্মের দিনটির কথা উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ তাঁর জন্মের সঙ্গে সম্পর্কিত দিনটি তিনি স্মরণ করেছেন ইবাদতের মাধ্যমে, আল্লাহর শুকরিয়ার মাধ্যমে।

এখান থেকে আমাদের জন্য একটি শিক্ষা হলো রাসূল (ﷺ)-এর জন্মকে স্মরণ করার সর্বোত্তম উপায় হলো আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা এবং রাসূল (ﷺ)-এর আদর্শকে জীবনে বাস্তবায়ন করা।

রাসূল (ﷺ)-এর প্রতি ভালোবাসা কেমন হওয়া উচিত?

প্রিয় ভাই ও বোনেরা!

শুধু মুখে মুখে “আমি রাসূল (ﷺ)-কে ভালোবাসি” বললেই ভালোবাসা পূর্ণ হয় না। ভালোবাসার প্রমাণ দিতে হয়।

আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন

قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ

অর্থ “বলুন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাস, তবে আমার অনুসরণ করো; তাহলে আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন।” সূরা আলে ইমরান, ৩১

অর্থাৎ আল্লাহর ভালোবাসার পথ হলো রাসূল (ﷺ)-এর অনুসরণ।

তাই আজকের এই মাহফিল থেকে আমাদের একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমরা শুধু রাসূল (ﷺ)-এর জন্মের আলোচনা করব না; আমরা তাঁর সুন্নাহর আলোয় নিজেদের জীবন গড়ব।

ছাত্রছাত্রীদের প্রতি কয়েকটি কথা

আমার প্রিয় মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীরা!

তোমরা যদি সত্যিই রাসূল (ﷺ)-কে ভালোবাসো, তাহলে তোমাদের জীবনে তাঁর আদর্শ থাকতে হবে।

রাসূল (ﷺ) ছিলেন সত্যবাদী। তাই তোমরা মিথ্যা বলবে না।

রাসূল (ﷺ) ছিলেন আমানতদার। তাই পরীক্ষায় নকল করবে না।

রাসূল (ﷺ) ছিলেন দয়ালু। তাই ছোটদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবে।

রাসূল (ﷺ) ছিলেন জ্ঞানপ্রেমী। তাই পড়াশোনাকে অবহেলা করবে না।

রাসূল (ﷺ) নামাজকে ভালোবাসতেন। তাই নামাজকে জীবনের বোঝা মনে করবে না।

মনে রাখবে রাসূল (ﷺ)-এর ভালোবাসা শুধু মুখের স্লোগান নয়; রাসূল (ﷺ)-এর ভালোবাসা হলো চরিত্রের পরিবর্তন।

ব্যবসায়ী ভাইদের প্রতি একটি বিশেষ কথা

আজ এখানে আমাদের সম্মানিত ব্যবসায়ী ভাইয়েরা উপস্থিত আছেন।

রাসূল (ﷺ)-এর জীবন থেকে ব্যবসায়ীদের জন্য অসংখ্য শিক্ষা রয়েছে।

আজ যদি আমরা মিলাদুন্নবী (ﷺ) পালন করি, কিন্তু দোকানে ওজনে কম দিই তাহলে আমাদের ভালোবাসা কোথায়? যদি পণ্যের দোষ গোপন করি তাহলে আমাদের সুন্নাহ কোথায়? যদি মিথ্যা কথা বলে ক্রেতাকে আকৃষ্ট করি তাহলে রাসূল (ﷺ)-এর আদর্শ কোথায়?

রাসূল (ﷺ) আমাদের শিখিয়েছেন সততা, আমানতদারি ও ন্যায়পরায়ণতা।

তাই আজকের দিনে একজন ব্যবসায়ী যদি সিদ্ধান্ত নেন “আমি আর ওজনে কম দেব না। আমি প্রতারণা করব না। আমি মিথ্যা বলব না। আমি হারাম উপার্জন থেকে বাঁচব।”

তাহলে বিশ্বাস করুন এই সিদ্ধান্তই হতে পারে তাঁর জন্য সবচেয়ে সুন্দর মিলাদ।

ওলামায়ে কেরাম ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব

সম্মানিত ওলামায়ে কেরাম এবং উপস্থিত সমাজের মুরুব্বিগণ!

আজ আমাদের সমাজে বিভেদ বাড়ছে, পারিবারিক অশান্তি বাড়ছে, যুবসমাজ নানা ধরনের বিপথে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আমাদের ঘরে ঘরে রাসূল (ﷺ)-এর চরিত্রের শিক্ষা পৌঁছে দিতে হবে।

রাসূল (ﷺ) ছিলেন ক্ষমাশীল। রাসূল (ﷺ) ছিলেন বিনয়ী। রাসূল (ﷺ) ছিলেন প্রতিবেশীর হক আদায়কারী। রাসূল (ﷺ) ছিলেন এতিমের আশ্রয়। রাসূল (ﷺ) ছিলেন দুর্বল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রতীক।

তাই আজ আমাদের প্রয়োজন মসজিদে রাসূল (ﷺ)-এর কথা, মাদ্রাসায় রাসূল (ﷺ)-এর কথা, বাড়িতে রাসূল (ﷺ)-এর কথা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে রাসূল (ﷺ)-এর আদর্শ, আর আমাদের চরিত্রে রাসূল (ﷺ)-এর সুন্নাহ।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে ঈদে মিলাদুন্নবীর গুরুত্ব

সম্মানিত উপস্থিতি!

আজকের পৃথিবীতে তথ্যের অভাব নেই কিন্তু আদর্শের অভাব আছে। মানুষের হাতে স্মার্টফোন আছে কিন্তু অনেকের জীবনে সঠিক পথনির্দেশ নেই। মানুষ অনেক কিছু জানে কিন্তু কীভাবে ভালো মানুষ হতে হয়, তা ভুলে যাচ্ছে।

এই সময়ে রাসূল (ﷺ)-এর জীবনকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আমাদের সন্তানদের বলতে হবে তোমাদের আদর্শ শুধু পর্দার কোনো নায়ক নয়। তোমাদের আদর্শ শুধু কোনো খেলোয়াড় নয়। তোমাদের আদর্শ শুধু কোনো জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব নয়। তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ হলেন হযরত মুহাম্মদ (ﷺ)।

আল্লাহ তায়ালা বলেন

لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ

অর্থ “নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।” সূরা আল-আহযাব, ২১

তাই ঈদে মিলাদুন্নবীর সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো আমরা রাসূল (ﷺ)-এর জীবন জানব, তাঁকে ভালোবাসব এবং তাঁর আদর্শ অনুসরণ করব।

দরুদ ও সালামের গুরুত্ব

প্রিয় মুসল্লিগণ!

রাসূল (ﷺ)-এর নাম উচ্চারিত হলে আমাদের অন্তর থেকে দরুদ বের হওয়া উচিত। রাসূল (ﷺ) বলেছেন

مَنْ صَلَّى عَلَيَّ وَاحِدَةً صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ عَشْرًا

অর্থ “যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তার ওপর দশবার রহমত নাজিল করেন।” সহিহ মুসলিম

তাহলে আসুন, আমরা আজ থেকে আমাদের জীবনে দরুদের পরিমাণ বাড়িয়ে দিই।

হাঁটতে হাঁটতে দরুদ। কাজের ফাঁকে দরুদ। ঘুমানোর আগে দরুদ। জুমার দিনে বেশি বেশি দরুদ। রাসূল (ﷺ)-এর নাম শুনলে দরুদ।

কারণ দরুদ হলো ভালোবাসার ভাষা।

তাহলে আমাদের করণীয় কী?

আজকের এই পবিত্র মাহফিল থেকে আমি পাঁচটি বিষয়ের অঙ্গীকার করার আহ্বান জানাব

এক. আমরা রাসূল (ﷺ)-এর প্রতি অন্তরের ভালোবাসা বৃদ্ধি করব।

দুই. আমরা বেশি বেশি দরুদ ও সালাম পাঠ করব।

তিন. আমরা রাসূল (ﷺ)-এর জীবন ও সিরাত পড়ব এবং সন্তানদের শেখাব।

চার. আমরা তাঁর সুন্নাহকে জীবনে বাস্তবায়ন করব।

পাঁচ. আমরা আমাদের চরিত্র, পরিবার, শিক্ষা, ব্যবসা ও সমাজজীবনে রাসূল (ﷺ)-এর আদর্শ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করব।

শেষ কথাটি

সম্মানিত উপস্থিতি!

ঈদে মিলাদুন্নবী (ﷺ) শুধু আলো সাজানোর নাম নয়। শুধু মিছিল করার নাম নয়। শুধু বক্তব্য শোনার নাম নয়। শুধু নাত পড়ার নাম নয়।

ঈদে মিলাদুন্নবীর প্রকৃত সৌন্দর্য তখনই প্রকাশ পাবে, যখন রাসূল (ﷺ)-এর ভালোবাসা আমাদের চরিত্রে প্রকাশ পাবে।

যেদিন একজন ছাত্র বলবে “আমি মিথ্যা বলব না আমার নবী (ﷺ) মিথ্যা পছন্দ করতেন না।”

যেদিন একজন ব্যবসায়ী বলবে “আমি প্রতারণা করব না আমার নবী (ﷺ) আমানতদার ছিলেন।”

যেদিন একজন সন্তান বলবে “আমি বাবা-মায়ের অবাধ্য হব না আমার নবী (ﷺ) বাবা-মায়ের হক শিখিয়েছেন।”

যেদিন একজন প্রতিবেশী বলবে “আমি আমার প্রতিবেশীকে কষ্ট দেব না আমার নবী (ﷺ) প্রতিবেশীর হক শিখিয়েছেন।”

সেদিনই আমাদের মিলাদ সত্যিকার অর্থে সার্থক হবে।

সমাপনী দোয়া

আসুন, আমরা সবাই অন্তর থেকে বলি

হে আল্লাহ! আমাদের অন্তরে তোমার প্রিয় হাবীব হযরত মুহাম্মদ (ﷺ)-এর সত্যিকারের ভালোবাসা দাও।

হে আল্লাহ! আমাদেরকে তাঁর সুন্নাহ অনুযায়ী জীবনযাপন করার তাওফিক দাও।

হে আল্লাহ! আমাদের সন্তানদের নেককার বানাও, তাদেরকে রাসূল (ﷺ)-এর আদর্শে গড়ে ওঠার তাওফিক দাও।

হে আল্লাহ! আমাদের মাদ্রাসাকে দ্বীনের খেদমতের কেন্দ্র হিসেবে কবুল করো।

হে আল্লাহ! আমাদের সমাজ থেকে অশান্তি, হিংসা, বিদ্বেষ, প্রতারণা ও অন্যায় দূর করে দাও।

হে আল্লাহ! আমাদের ব্যবসায়ীদের হালাল রিজিক দাও, আমাদের যুবসমাজকে হেফাজত করো এবং আমাদের সকলকে সিরাতুল মুস্তাকিমের ওপর অটল রাখো।

হে আল্লাহ! কিয়ামতের দিন আমাদেরকে তোমার প্রিয় হাবীব হযরত মুহাম্মদ (ﷺ)-এর শাফায়াত নসিব করো।

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَىٰ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ آلِ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَسَلِّمْ وَبَارِكْ، وَصَلَّى اللَّهُ تَعَالَىٰ عَلَىٰ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ خَيْرِ خَلْقِهِ وَعَلَى آلِهِ وَأَصْحَابِهِ أَجْمَعِينَ

الحمد لله رب العالمين، وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين

والسلام عليكم ورحمة الله وبركاته

শেয়ার করুন